চাঁপাইনবাবগঞ্জের শিবগঞ্জ উপজেলার চৌকা সীমান্ত এলাকায় কয়েকদিন ধরে বিরাজ করছিলো তীব্র উত্তেজনা। এমন পরিস্থিতিতে একটি ছবি সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ব্যাপক সাড়া ফেলে, যেখানে দেখা যায়—মাটির বাঙ্কারে প্রতিরক্ষা অবস্থানে থাকা বিজিবির ঠিক পেছনে কাস্তে হাতে সতর্ক অবস্থায় বসে আছেন স্থানীয় কৃষক বাবুল আলী।
সাহসিকতার প্রতীক হিসেবে উঠে আসা বাবুল আলীর এই ছবি দ্রুত ভাইরাল হয়। স্থানীয়দের মতে, তিনি বিজিবির সাথে সীমান্ত পাহারায় নেমেছিলেন দেশের ভূমি রক্ষার দৃঢ় সংকল্পে।
শুক্রবার (১০ জানুয়ারি) কালীগঞ্জ গ্রামে তার বাড়িতে গিয়ে দেখা যায়, বাবুল আলী তখন কাঁচা হলুদ পরিষ্কারের কাজে ব্যস্ত। দেশের মাটির প্রতি তার ভালোবাসা প্রসঙ্গে বাবুল আলী বলেন, "ভারতের বিএসএফ সীমান্তে মাটি খুঁড়ে কাঁটাতারের বেড়া নির্মাণ করছিল। বিজিবি তাদের বাধা দেয়, যা থেকে উত্তেজনার সৃষ্টি হয়। গ্রামের মানুষ হিসেবে আমরা বিজিবির পাশে দাঁড়িয়েছি, কারণ দেশের মাটি কাউকে দখল করতে দেব না। প্রয়োজনে দেশের জন্য জীবন দিতেও প্রস্তুত। তাই সাহস নিয়ে কাস্তে হাতে পাহারায় বসেছিলাম।”
বাবুল আরও বলেন, "এই উত্তেজনার কারণে সরিষাসহ অনেক ফসলের ক্ষতি হয়েছে। তবে দেশের নিরাপত্তাই সবার আগে।"
প্রতিবেশী হারুন অর রশিদ জানান, “বাবুল আলী ছিলেন একেবারে বিজিবির পেছনে। তিনি সামনে থেকে যে উদাহরণ তৈরি করেছেন, তা আমাদের সবাইকে অনুপ্রাণিত করেছে। এখন অনেকেই তাকে একনজর দেখতে বাড়িতে আসছেন।”
উল্লেখ্য, ৫ জানুয়ারি শিবগঞ্জ সীমান্তের পিলার ১৭৭/২-এস এলাকায় বিএসএফ কাঁটাতারের বেড়া নির্মাণ শুরু করলে বিজিবি বাধা দেয়। পরে ৭ জানুয়ারি একই কাজ আবারও শুরুর পর ফের উত্তেজনা সৃষ্টি হয়। শেষ পর্যন্ত ৮ জানুয়ারি পতাকা বৈঠকে দুই পক্ষ সিদ্ধান্ত নেয়, হেড কোয়ার্টারের অনুমতি ছাড়া কোনো স্থাপনা নির্মাণ করা যাবে না।
সাহসিকতার প্রতীক হিসেবে উঠে আসা বাবুল আলীর এই ছবি দ্রুত ভাইরাল হয়। স্থানীয়দের মতে, তিনি বিজিবির সাথে সীমান্ত পাহারায় নেমেছিলেন দেশের ভূমি রক্ষার দৃঢ় সংকল্পে।
শুক্রবার (১০ জানুয়ারি) কালীগঞ্জ গ্রামে তার বাড়িতে গিয়ে দেখা যায়, বাবুল আলী তখন কাঁচা হলুদ পরিষ্কারের কাজে ব্যস্ত। দেশের মাটির প্রতি তার ভালোবাসা প্রসঙ্গে বাবুল আলী বলেন, "ভারতের বিএসএফ সীমান্তে মাটি খুঁড়ে কাঁটাতারের বেড়া নির্মাণ করছিল। বিজিবি তাদের বাধা দেয়, যা থেকে উত্তেজনার সৃষ্টি হয়। গ্রামের মানুষ হিসেবে আমরা বিজিবির পাশে দাঁড়িয়েছি, কারণ দেশের মাটি কাউকে দখল করতে দেব না। প্রয়োজনে দেশের জন্য জীবন দিতেও প্রস্তুত। তাই সাহস নিয়ে কাস্তে হাতে পাহারায় বসেছিলাম।”
বাবুল আরও বলেন, "এই উত্তেজনার কারণে সরিষাসহ অনেক ফসলের ক্ষতি হয়েছে। তবে দেশের নিরাপত্তাই সবার আগে।"
প্রতিবেশী হারুন অর রশিদ জানান, “বাবুল আলী ছিলেন একেবারে বিজিবির পেছনে। তিনি সামনে থেকে যে উদাহরণ তৈরি করেছেন, তা আমাদের সবাইকে অনুপ্রাণিত করেছে। এখন অনেকেই তাকে একনজর দেখতে বাড়িতে আসছেন।”
উল্লেখ্য, ৫ জানুয়ারি শিবগঞ্জ সীমান্তের পিলার ১৭৭/২-এস এলাকায় বিএসএফ কাঁটাতারের বেড়া নির্মাণ শুরু করলে বিজিবি বাধা দেয়। পরে ৭ জানুয়ারি একই কাজ আবারও শুরুর পর ফের উত্তেজনা সৃষ্টি হয়। শেষ পর্যন্ত ৮ জানুয়ারি পতাকা বৈঠকে দুই পক্ষ সিদ্ধান্ত নেয়, হেড কোয়ার্টারের অনুমতি ছাড়া কোনো স্থাপনা নির্মাণ করা যাবে না।